ঢাকা১২ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

গাইবান্ধার বালু চরে তরমুজ আবাদ লাভবান হচ্ছেন কৃষক

বার্তা বিভাগ
এপ্রিল ২৩, ২০২৪ ৬:০৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আনোয়ার হোসেন, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ উত্তরের জেলা গাইবান্ধার চরাঞ্চলের অনাবাদি জমিতে প্রথম বারের মতো হয়েছে বাণিজ্যিকভাবে তরমুজ চাষ। ধু ধু বালুচরে আগে ফসল ফলেনি, ছিল অনাবাদি। কিন্তু এখন সবুজের সমারোহ। বিস্তীর্ণ বালুচরে সবুজ লতায় মোড়ানো গাছ। উপযুক্ত আবহাওয়া ও বালি মিশ্রিত মাটি হওয়ায় সদর উপজেলার মোল্লারচরে ৩০০ বিঘা, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার লালচামারে ২৫০ বিঘা ও ফুলছড়ি উপজেলার গুপ্তমনিরচরে প্রায় ১৫০ বিঘা
জমিতে চাষ হয়েছে তরমুজ। রবি মৌসুমে চরের অধিকাংশ জমি খালি পড়ে থাকলেও চলতি বছর এখানে তরমুজ চাষ করে আশার আলো দেখছেন কৃষকরা। খালি পড়ে থাকা সেই জমিগুলো এখন কৃষকদের নতুন দিনের স্বপ্ন দেখাচ্ছে। দূরদূরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা এসে ক্ষেত থেকেই কিনে নিচ্ছেন
চাষিদের তরমুজ। দামও ভালো পাচ্ছেন কৃষকরা। তরমুজ চাষে এখন চাঙ্গা চরের চাষিরা।

গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্র জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় তরমুজ আবাদ হয়েছে ১১৫ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ৪৪ হেক্টর, সুন্দরগঞ্জে ৪১ হেক্টর, ফুলছড়িতে ২৯ হেক্টর এবং সাদুল্লাপুর উপজেলায় ১ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। প্রতি বছর জেলার চরাঞ্চল ও মূলভূখন্ডের ফসলি জমিতে তরমুজের আবাদ হলেও এ বছরই প্রথম বারের মতো চরের অনাবাদি জমিতে বাণিজ্যিকভাবে তরমুজ চাষ হয়েছে প্রায় ৯৪ হেক্টর জমিতে। জেলায় মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায়
১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবার যারা তরমুজ চাষ করেছেন
তাঁরা ফলনে ও দামে খুবই লাভবান হয়েছেন।

গত সোমবার গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার গুপ্তমনির চর ঘুরে দেখা যায়, ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে বিক্রিতে ব্যস্ত কৃষকরা। রংপুর, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীরা এসেছেন তরমুজ কিন্তে। জমিতে গিয়ে দরদাম করে কৃষকদের কাছ থেকে তরমুজ কিনছেন তারা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে হয়। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি। যোগাযোগ: হটলাইন: +8801602122404 ,  +8801746765793 (Whatsapp), ই-মেইল: [email protected]