ঢাকা১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

মশার উপদ্রপে অতিষ্ঠ সান্তাহারবাসি ডেঙ্গু নিয়েও নেই প্রচার প্রচারণা কর্মসূচি

বার্তা বিভাগ
এপ্রিল ৮, ২০২৪ ১১:৩২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নাসিরা সুলতানা,( আদমদিঘী -বগুড়া) প্রতিনিধি:

মশার উপদ্রপে বগুড়ার সান্তাহার পৌরসভার অর্ধলক্ষাধিক বাসিন্দা কষ্ঠে আছে। পৌর শহরে বর্তমানে ব্যাপক হারে মশার উপদ্রব বেড়েছে। মশার কারনে সন্ধার পর বাড়ির স্বাভাবিক কাজকর্ম ও
শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি অফিস ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মশার আক্রমনে মানুষ অতিষ্ঠ। তা ছাড়া সান্তাহার পৌরসভা
কর্তৃক ডেঙ্গু বিরোধী নেই প্রচার প্রচারণা। সারাদেশের ন্যায় ঈদের পর সান্তাহার পৌরসভার সবগুলি শিক্ষা প্রতিষ্টান খুলবে আগামী ২১শে এপ্রিল। সামনে এইচ,এস,সি পরীক্ষা। এই সময়স শিক্ষার্থীরা সব সময় লেখাপড়া করবে। সেজন্য মশার ওষুধ ছেটানোর বিষয়টি ও ডেঙ্গু বিরোধী কর্মসূচি নেওয়া আরোও গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠেছে বলে শিক্ষা প্রতিষ্টান প্রধান ও বিশেষজ্ঞগন মনে করেন। সান্তাহার পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের কয়েকজন নাগরিক অভিযোগ করেন,সান্তাহার পৌরসভা প্রথম শ্রেনির পৌরসভা হওয়া সত্বেও মশা নিধনে
কার্যকর ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। যত্রতত্র ময়লা- আর্বজনার স্তুপ,নালার পানি জমে থাকা,রাস্তার পাশে ঝোপঝাড়, নোংরা-আবর্জনা পরিস্কার করা হয় না।
এসব কারন সহ মশা নিধনের ওষুধ না ছিটানোয় পৌরএলাকায় মশার ভয়াবহ উপদ্রব বেড়েছে। একটু বৃষ্টি হলেই সান্তাহার রাধাকান্ত হাট,ঢাকাপট্রি,সান্তাহার বাজার, সান্তাহার ষ্টেশন রোড ,সান্তাহার-নওগাঁ সড়কে পূর্বাশা সিনেমা হলের সামনে পানির জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।’ঘরে ঝাঁকে ঝাঁকে মশা ঢুকছে। লেখাপড়া বাদ রেখে সন্ধার পরে মশা মারতে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। কয়েল জ্বালিয়েও নিস্তার নেই।’ মশার উপদ্রপ নিয়ে
কথাগুলো বলেন সান্তাহার ৪ নং ওয়ার্ডের দশম শ্রেনীর ছাত্রী রেজওয়ানা জেসমিন। সান্তাহার বাজারের বাসিন্দা মিঠু বলেন, জানালা খুললেই ঝাঁকে ঝাঁকে মশা ঘরে প্রবেশ করে। ঘরে মশারি টানানোর সময় ভেতরে মশা ঢুকে যায়। কয়েক মাস ধরে এই অবস্থা। এই সময় পৌরসভা থেকে ঘন ঘন ওষুধ দিতে হবে।কিন্তু বর্তমানে মশা নিধনের জন্য পৌরসভার পদক্ষেপ কম। এভাবে মশার উপদ্রব বাড়তে থাকলে মানুষ ম্যালেরিয়,ডেঙ্গুসহ নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে। শহরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে ড্রেনেজ ব্যবস্থা অপরিস্কার থাকায় এবং নিয়মিত মশা নিধনের ব্যবস্থা না থাকায় মশার উপদ্রপ বেড়েছে। বেড়েছে ডেঙ্গু ঝুঁকি।
সান্তাহার পৌর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মশা নিধনের জন্য কোন নিদিষ্ঠ বরাদ্দ নাই। মশা নিধনের জন্য একটি পুরনো এবং একটি নতুন ফগার মেশিন
আছে। ইতিমধ্যে ১ বার ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছে। ফগার মেশিন চালানোর জন্য একজনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। সান্তাহার প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা হওয়া সত্বেও মশা নিধনে দৃশ্যমান কোন কর্মসূচি আমরা দেখছি না। এই মৌসুমে মনে হয় একবার ওষুধ দেওয়া হয়েছে। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার স্তপ,নালায় পানি জমে থাকা,
রাস্তার পাশে ঝোপঝাড়, নোংরা-আবর্জনা পরিস্কার করা হয় না। এসব কারনসহ মশা নিধনের ওষুধ না ছিটানোয় পৌর এলাকায় মশার ভয়াবহ উপদ্রব বেড়েছে।এ বিষয়ে সান্তাহারের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ হামিদুর রহমান রানা বলেন,বছরের এই সময়টিতে মশার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। যদিও আমাদের এলাকায় এখনো পর্যন্ত ডেঙ্গুর কোন লাভা পাওয়া যায়নি,তবু আমাদেও সর্তক থাকতে হবে। ঙেঙ্গু বিরোধী প্রচার, প্রচারণা কর্মসূচি হাতে নিতে হবে।
সান্তাহার পৌরসভার প্যানেল মেয়র জার্জিস আলম রতন জানান, মশা নিধনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। আমাদের কয়েকটি ফগার মেশিন ছিল, কিছু নষ্ট হয়েছে, আপাতত দুটি ফগার মেশিন আছে।, এই মৌসুমে ১ বার ওষূধ ছিটানো হয়েছে। প্রয়োজনে এই কর্মসূচি আবার হাতে নেওয়া হবে। এ ছাড়া আমরা পৌর শহরের ৯টি ওয়ার্ডে মশা নিধনের জন্য লিকুইড ওষুধ প্রয়োগ করছি। এটি মশা নিধনে বেশি কার্যকর।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে হয়। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি। যোগাযোগ: হটলাইন: +8801602122404 ,  +8801746765793 (Whatsapp), ই-মেইল: [email protected]