ঢাকা১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সদরপুরে সোনালী আঁশ’ খ্যাত পাট বর্তমানে কৃষকের গলার ফাঁসে পরিণত হয়েছে

Link Copied!

ফরিদপুর, জেলা প্রতিনিধি-:

ফরিদপুরের সদরপুরে ‘সোনালী আঁশ’ খ্যাত পাট বর্তমানে কৃষকের গলার ফাঁসে পরিণত হয়েছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় পাটের ফলন ভালো হলেও বর্তমান বাজার দর উৎপাদন খরচের চেয়েও কম হওয়ায় লোকসান গুণতে হচ্ছে পাটচাষিদের। ফলে পাটের পরিবর্তে বিকল্প হিসেবে আখ, সবজি ও তরিতরকারি চাষের চিন্তা করছেন কেউ কেউ। কৃষকদের ধারণা এতে ভবিষ্যতে পাট চাষের জমি কমে যাবে, হুমকির মুখে পড়তে পারে বিপুল সম্ভাবনার সোনালী আঁশ।

উপজেলার হাটকৃষ্ণপুর, সাড়েসাত রশি বাজার, পিয়াজখালী, বালিয়াহাটি, নচুনগঞ্জ বাজারে মান ও রং ভেদে মণপ্রতি পাটের বর্তমান দর ১ হাজার ৮শ’ থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকা। কৃষকরা বলছেন, জায়গা ভেদে পাট উৎপাদন ও বাজারজাত করা পর্যন্ত খরচ হয়েছে মণপ্রতি ২ হাজার ৫শ’ থেকে ৩ হাজার ২শ’ টাকা ।

এতে বর্তমান বাজার দরের চেয়ে কৃষকদের প্রতিমণে লোকসান গুণতে হচ্ছে ৫শ’ থেকে ১ হাজার টাকা। সরজমিন দেখা যায়, পাট নিয়ে ব্যস্ততার শেষ নেই চাষিদের। চাষিরা কেউ কেউ পাট কাটা, পচন, সংগ্রহ ও শুকাতে ব্যস্ত। আবার নিশ্চিত লোকসান গুণতে হবে ভেবে পাট না কেটে ক্ষেতেই রেখে দিচ্ছেন কেউ কেউ।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিটুল রায় বলেন, এ বছর উপজেলায় ৬ হাজার ৫২৮ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে, উৎপাদনও আশানুরূপ।

খাল বিলে বৃষ্টি ও বর্ষার পানি স্বল্পতার কারণে পাট পচন, সংগ্রহ ও পরিবহন বাবদ পাটের উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। অথচ প্রতিমণ পাটের বাজার মূল্য হওয়া উচিত ৪ হাজার টাকা। গুদামজাতকারী ও ফড়িয়াদের অপকৌশলের কারণে কৃষকরা সাময়িক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। তবে ১৯ ধরনের পণ্য সংরক্ষণ, সরবরাহ ও মোড়কীকরণে পাটের বস্তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। যদি মিলগুলো চাহিদা বাড়ায়, পাট ও পাটজাত দ্রব্যের বহুবিধ ব্যবহার ও রপ্তানি বৃদ্ধি করা যায়, তবে পাট চাষে কৃষকদের নিশ্চিত লাভ হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে হয়। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি। যোগাযোগ: হটলাইন: +8801602122404 ,  +8801746765793 (Whatsapp), ই-মেইল: [email protected]