ঢাকা১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

ডুমুরিয়ায় আদালতের রায় অমান্য করে জোর পূর্বক ফসল কর্তন ও জমি দখলের পাঁয়তারা

বার্তা বিভাগ
মে ১০, ২০২৩ ৮:০৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি:

ডুমুরিয়ায় অসহায় হতদরিদ্র কৃষক আঃ খালেক সরদার গংদের যুগ যুগ ধরে ভোগ দখলে থাকা সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার খর্ণিয়া ইউনিয়নের পাঁচুড়িয়া গ্রামের প্রভাবশালী আব্দুল কুদ্দুস সরদার, হায়দার শেখ, কামরুল সরদার ও মাগুরখালী গ্রামের শংকর গংদের বিরুদ্ধে।

সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাঁচুড়িয়া গ্রামের অসহায় হতদরিদ্র কৃষক মোঃ আব্দুল খালেক সরদার, রাশিদা বেগম,রনজিদা খাতুন এর নিজ নামীয় রেকর্ডীয় সম্পত্তি হারি সূত্রে লিজ নেয় পাঁচুড়িয়া গ্রামের প্রভাবশালী মোঃ আব্দুল কুদ্দুস সরদার, মোঃ হায়দার শেখ,মোঃ কামরুল সরদার ও মাগুরখালী গ্রামের শংকর।

দায়িত্বশীল সূত্রে ও সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার খর্ণিয়া ইউনিয়নের পাঁচুড়িয়া গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস সরদার, হায়দার শেখ কামরুল সরদার ও মাগুরখালী গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা শংকর গংরা মোঃ আব্দুল খালেক সরদার গংদের যুগ যুগ ধরে ভোগ দখলে থাকা সম্পত্তি বহিরাগত পেটুয়া বাহিনীর দ্বারা ভোগদখলের পাঁয়তারা করছেন।

ভুক্তভোগী আব্দুল খালেক সরদার গংরা প্রতিবেদককে বলেন,প্রভাবশালী আব্দুল কুদ্দুস,হায়দার শেখ,কামরুল সরদার ও শংকর গংরা ক্ষমতাধর একটি মহলকে সুকৌশলে কব্জা করে তাদের সাথে বিভিন্ন দেনদরবার করে যুগ যুগ ধরে ভোগ দখলে থাকা আমার সম্পত্তিতে বিদ্যমান মৎস্যঘেরে লাগানো পাঁকা ধান কেটে,মৎস্য ঘেরে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির মাছ তাদের পেটুয়া বাহিনী দ্বারা লুটপাট করে নিয়ে গেছে এবং রাতের অন্ধকারে আমার ঘেরের বাসা ভাংচুর করেছে এমনকি মহামান্য আদালতকে অমান্য করে আমাদের যুগ যুগ ধরে ভোগ দখলে থাকা জমি দখলের পাঁয়তারা করছে।

ভুক্তভোগী আব্দুল খালেক সরদার গংরা আরোও বলেন, আমি বিদ্যমান এই বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান, থানা প্রশাসন সহ বিভিন্ন মহলে গিয়েও সঠিক সুরাহ হয়নি,এখন আমি এবং আমার পরিবার প্রতিনিয়ত আব্দুল কুদ্দুস, হায়দার শেখ,কামরুল সরদার ও শংকর গংদের তান্ডবের ভয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি।

দায়িত্বশীল সূত্রে আরো জানা যায়, পাঁচুড়িয়া গ্রামের আব্দুল খালেক সরদার, রাশিদা বেগম ও রনজিদা খাতুন সাব – রেজিষ্ট্রী অফিস ডুমুরিয়া অধীন ১০৬ নং পার মাদারতলা মৌজায় যুগ যুগ ধরে এস এ ৭ নং খতিয়ানের ১২৮,১৩১,১৩২ ও ১৫৬ নং দাগে ১০.৩৮ একর সম্পত্তির অধিনস্থ বিআরএস ১/১ নং খতিয়ানের বিআরএস দাগ নং – ২১৮,২৩৬ ও ৫০৬ নং দাগের ভোগ দখলীয় ২২০,২২৮ ও ২৩৬ নং দাগে বিভাজ্য জমির মধ্যে ৭৫ শতাংশ শতাংশ জমি ভোগদখল করে আসছেন।

কিন্তু আব্দুল কুদ্দুস,হায়দার শেখ, কামরুল সরদার ও শংকর গংরা উপরিক্ত অংশের জমি নিজেদের দাবি করে তারা সন্ত্রাসী পেটুয়াবাহিনা দ্বারা জমি দখলের পাঁয়তারা করছে। এমনি সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিনিয়ত ঘটায় মোঃ আব্দুল খালেক সরদার গংরা বিঙ্গ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত খুলনার এম.পি মামলা নং ৯৫৫/২০২২(ডুমুরিয়া), ধারা -১৪৪/১৪৫ ফৌঃকাঃ ও বিঙ্গ আদালতে মামলা করেছেন এবং আদালত জমিতে স্থিতিবস্থা বজায় রাখতে আদেশ দিয়েছেন।

মোঃ আব্দুল খালেক সরদার জানান উচ্চ আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্বেও প্রভাবশালী আব্দুল কুদ্দুস সরদার,হায়দার শেখ,কামরুল সরদার ও শংকর গংরা বার বার জমি জবর দখলের পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে।আব্দুল খালেক সরদার আরোও বলেন,বিষয়টি নিয়ে একাধিক বার বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করা হয়েছে,অভিযোগের ভিত্তিতে দু’পক্ষ বসে কোন সিন্ধান্ত নেওয়া হলে আব্দুল কুদ্দুস সরদার,হায়দার শেখ কামরুল সরদার ও শংকর গংরা সেটা অবমাননা করে।

গত ০৭ মে ২০২৩ ইং রবিবার সকাল আনুমানিক ৭ঃ ১০ ঘটিকায় আব্দুল কুদ্দুস, হায়দার শেখ,কামরুল সরদার ও শংকর গংরা তাদের বহিরাগত পেটুয়াবাহিনী নিয়ে মৎস্য ঘেরের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ,জমিতে থাকা পাঁকা ধান কেটে নিয়ে যায় ও রাতের অন্ধকারে ঘেরের বাসা ভাংচুর করে। তিনি আরও বলেন, আমাদের বাড়ি থেকে আমাদের জমি দূরে হওয়ায় কোন রকম তোয়াক্কা না করে তাদের কাজ শেষ করে আব্দুল কুদ্দুস গংরা চলে যায়।

ঘটনার বিষয়ে আব্দুল কুদ্দুস গংদের নিকট জানতে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ভুক্তভোগী আব্দুল খালেক সরদার গংদের নিকট ঘটনার বিষয়ে অধিকতর জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদকের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, আমরা আইনের সহযোগিতা নিয়েছি আদালতে মামলা চলমান,আদালত যে সিন্ধান্ত দিবে সেটাই আমরা মেনে নিবো।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে হয়। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি। যোগাযোগ: হটলাইন: +8801602122404 ,  +8801746765793 (Whatsapp), ই-মেইল: [email protected]